লখনউ: শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন রামমন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত সত্যেন্দ্র দাস (Mahant Satyendra Das Head priest Ram Mandir) । হিন্দুধর্মের নিয়ম অনুযায়ী মৃতদেহের দাহ করতে হয়। কিন্তু মহন্ত সত্যন্দ্র দাসের দেহ উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) সরযূ নদীতে (Saryu River) ভাসানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) এই পোস্ট ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা ধিক্কার জানিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন কিভাবে একটি দেহকে নদীর জলে ভাসানো হল। একবার নদীর দূষণ (River Polloution) নিয়ে ভাবা হল না কেন?
শুক্রবার সাকেত নগরীর সরযূ নদীতে প্রয়াত সত্যেন্দ্রের দেহ নৌকায় নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। কিছুতে মুড়ে বেঁধে দেহের সঙ্গে ভারী কিছু বেধে ফেলা হয়। যেভাবে ফেলা হয়, তা রীতিমতো দৃষ্টিকটূ লাগে।
আরও পড়ুন: কে এই রামমন্দিরের প্রধান পূজারি আচার্য সত্যেন্দ্র দাস? জানুন তাঁর জীবনের অজানা কথা…
গত বুধবার ৮৫ বছর বয়সে জীবনাবসান হয় রামমন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত সত্যেন্দ্র দাসের। লখনউয়ের সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এসপিজিআই)-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
বর্তমানে দূষণে জেরবার দেশ। তার পরেও এই ধরনের কাণ্ডকারখানা কিভাবে করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে অযোধ্যা সাধু সন্তদের বক্তব্য, এই প্রথা প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। বর্তমানে খুবই বিরল কিন্তু এই পদ্ধতিতে কাউকে সমাধিস্থ করলে তাঁর আত্মা দ্রুত মোক্ষ লাভ করে। ভগবান শ্রীরামও নাকি সরযূতেই বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়েছিল। তাঁর আগে থেকেই অস্থায়ী রামমন্দিরের পুরোহিত পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল আশৈশব অযোধ্যার বাসিন্দা সত্যেন্দ্রেকে। মাত্র ২০ বছর বয়স থেকেই পূজা অর্চনায় মন দেন। সত্যেন্দ্র নির্বাণী আখড়ার সদস্য ছিলেন। রাম জন্মভূমি আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রামলালার বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছিল তাঁর হাতেই।
দেখুন অন্য খবর: